বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৭ অপরাহ্ন
Headline :
সাড়ে ৩ কোটি টাকার রৌমারী হাট ৬ কোটি অতিরিক্ত টোল আদায়ের মরিয়া ইজারাদার নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়ন বৈধ মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও নোবেল লরিয়েটের অবমাননা: আমাদের রুচিবোধ কোথায় দাঁড়িয়ে? ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ জানাল আমিরাত সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল নতুন দুটি দিবস পালনের সিদ্ধান্ত, একটিতে থাকছে সরকারি ছুটি দর্শকদের সাথে সরাসরি কথা বলবেন তামিম, শুনবেন অভিজ্ঞতা ও সমস্যার কথা আলহাজ্ব আব্দুল ওয়াহাব উচ্চ বিদ্যালয়ে নবীন বরন ও এস এস সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত রৌমারীর সাংবাদিকতায় অনৈক্যের ব্যাধি: ঘর হতে দুই পা ফেলিয়া… রৌমারী সীমান্তে বিদেশি মদসহ আটক ১

নেহারি-পায়া কূটনীতি: ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনায় ট্রাম্পের নতুন চমক!

ছবি: এআই দ্বারা তৈরিকৃত

মুক্তাঞ্চল ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক:

কূটনীতির টেবিলে এবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরমাণু চুক্তি বা সীমান্ত সংঘাত নয়, বরং জায়গা করে নিয়েছে পাকিস্তানের ঐতিহ্যবাহী ‘বিফ নেহারি’ এবং ‘ছোটে পায়া’! শুনতে অবাক লাগলেও, দ্বিতীয় মেয়াদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি সংলাপে ডোনাল্ড ট্রাম্পের অংশগ্রহণের নেপথ্যে কাজ করছে এক অদ্ভুত ‘খাবার প্রেম’।

ভ্যান্সের নেহারি-স্তুতি ও ট্রাম্পের আগ্রহ

ঘটনার সূত্রপাত মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সাম্প্রতিক পাকিস্তান সফরকে কেন্দ্র করে। পাকিস্তান থেকে ফেরার পর থেকেই ভ্যান্স বিরামহীনভাবে সেখানকার নেহারি আর পায়ার স্বাদের প্রশংসা করে যাচ্ছেন। আর সেই গল্প শুনেই নাকি ভোজনরসিক ট্রাম্পের মনে জেগেছে সেই স্বাদ পরখ করার প্রবল বাসনা।

সরাসরি স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে ট্রাম্প গণমাধ্যমকে জানান:

“ভ্যান্স ফেরার পর থেকেই সারাক্ষণ শুধু নেহারি আর পায়া নিয়ে মেতে আছে। তাই আমি ভাবলাম, চমৎকার এই সব খাবার খেতে খেতে যদি কূটনীতি আর আলোচনার আরও একটি সুযোগ দেওয়া যায়, তবে মন্দ কী! হ্যাঁ, এবার আমি নিজেই সেই সংলাপে যোগ দিচ্ছি।”

খাদ্য ও কূটনীতি: নতুন সমীকরণ?

বিশ্লেষকরা একে দেখছেন ‘ফুড ডিপ্লোম্যাসি’ বা খাবারভিত্তিক কূটনীতির এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে। মধ্যপ্রাচ্যের জটিল রাজনৈতিক সমীকরণে যেখানে বছরের পর বছর ধরে অচলাবস্থা বিরাজ করছে, সেখানে পাকিস্তানের স্থানীয় খাবারের প্রতি ট্রাম্পের এই ব্যক্তিগত আগ্রহ আলোচনার টেবিলে নতুন প্রাণসঞ্চার করেছে।

কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?

  • ব্যক্তিগত উপস্থিতি: ট্রাম্পের সরাসরি অংশগ্রহণ আলোচনার গুরুত্ব বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

  • মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব: ঘরোয়া পরিবেশে খাবারের আড্ডায় অনেক সময় জটিল রাজনৈতিক সমস্যার সহজ সমাধান বেরিয়ে আসে।

  • ঐতিহাসিক মোড়: যদি এই সফরের মাধ্যমে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংকটের কোনো সমাধান আসে, তবে তা বিশ্ব রাজনীতিতে একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে গণ্য হবে।

নিটোল আলোচনার অপেক্ষায় বিশ্ব

ট্রাম্পের এই ঘোষণা কি শুধুই খাবারের প্রতি ভালোবাসা, নাকি এর পেছনে কোনো গভীর রাজনৈতিক কৌশল রয়েছে—তা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও, নেহারি আর পায়ার গন্ধে আপাতত বিশ্ব রাজনীতির বাতাস কিছুটা হালকা হয়েছে। এখন দেখার বিষয়, পাকিস্তানের এই মশলাদার নেহারি মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘদিনের তিক্ত সম্পর্কের স্বাদ বদলাতে পারে কি না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page