রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার বন্দবেড় ও সায়দাবাদে দিন দিন অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠছে একটি মাদককারবারি পরিবার। তাদের হাতে যেন জিম্মি হয়ে পড়েছে উঠতি বয়সী তরুন-তরুনীসহ প্রশাসন। দিনে রাতে সমান তালে মাদকের কারবার চালিয়ে গেলেও তারা ধরা-ছোঁয়ার বাইরে।
বন্দবেড়ে মাদকের কারবার পরিচালনা করে লায়লা বেগম ও তার অনুসারীরা। আর সায়দাবাদে কারবার পরিচালনা করে লায়লার স্বামী আব্দুস ছালাম। তবে স্থানীয়রা জানান, আব্দুস ছালাম উল্লিখিত দুই এলাকাতেই নির্বিঘ্নে তার কারবার পরিচালনা করে আসছে। ইয়াবা, হেরোইন, মদ, গাঁজা, ফেনসিডিল এমন কোনো মাদক নেই যার কারবার তারা করেনা।
জানা গেছে, আব্দুস ছালাম ও লায়লা দম্পত্তির বিরুদ্ধে থানায় অন্তত ১১টি মাদকের মামলা রয়েছে। যা এখনও চলমান। ওই মামলায় তারা একাধিকবার হাজতও খেটেছে। ছাড়া পেয়ে তারা দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছেন। মাদকের ব্যবসা করে মালিক হয়েছেন অঢেল সম্পত্তির, রাতারাতি বনে গেছেন কোটি টাকার মালিক।
এদিকে মাদকের কড়াল গ্রাসে ধ্বংস হচ্ছে স্কুল কলেজ পড়ুয়া থেকে শুরু করে সমাজের বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষ। নেশার টাকা জোগাড় করতে তারা জড়িয়ে পড়ছেন বিভিন্ন অপরাধমুলক কর্মকান্ডে, বেড়ে যাচ্ছে চুরি-ছিনতাই। কেউ মাদকের বিরুদ্ধে কথা বললেই স্বীকার হতে হচ্ছে হয়রানির।
মাদকের মামলা ও কারবার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে সালাম-লায়লা দম্পতি জানান, মানুষ আমাদের বিষয়ে বানিয়ে বানিয়ে বলছে। আগে মাদকের ব্যবসা করেছি, এখন করিনা। মামলা হয়েছে ঠিক, কিছু মামলা খারিজ হয়েছে আর কিছু মামলা চলমান রয়েছে। হাজিরা দিচ্ছি।